ওডেসায় রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় একজন নিহত, প্রাচীন গির্জার ক্ষতি

রুশ আক্রমণে ট্রান্সফিগারেশন ক্যাথেড্রাল নামে ঐতিহাসিক গির্জা গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ছবির ক্যাপশান, রুশ আক্রমণে ট্রান্সফিগারেশন ক্যাথেড্রাল নামে ঐতিহাসিক গির্জার গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
Published

ইউক্রেনের বন্দরনগরী ওডেসার ওপর চালানো রুশ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত একজন নিহত এবং ১৯ জন আহত হয়েছে বলে কর্মকর্তারা বলছেন। এ ছাড়া ট্রান্সফিগারেশন ক্যাথেড্রাল নামে একটি ঐতিহাসিক গির্জাও গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আঞ্চলিক গভর্নর ওলেহ কিপার জানিয়েছেন, চারটি শিশু সহ বিস্ফোরণে আহত ১৪ জন এখন হাসপাতালে রয়েছে। শহরের কাউন্সিল বলেছে, এ সময় আবাসিক ভবনও আক্রান্ত হয় এবং ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে একটি ঐতিহাসিক অর্থডক্স গির্জারও গুরুতর ক্ষতি হয়েছে।

ইউক্রেন থেকে কৃষ্ণসাগরের ভেতর দিয়ে নিরাপদে শস্য রপ্তানির নিশ্চিত করার একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি থেকে রাশিয়া গত সোমবার নিজেদের প্রত্যাহার করে নেবার পর থেকেই ওডেসার ওপর একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে মস্কো ।

ইউক্রেন অভিযোগ করেছে যে রাশিয়া ওই চুক্তি ও শস্য রপ্তানির সাথে সম্পর্কিত অবকাঠামোগুলোকে লক্ষ্য করে আক্রমণ চালাচ্ছে।

এ সপ্তাহের শুরুতে আরেকটি রুশ আক্রমণে প্রায় ৬০,০০০ টন শস্য ধ্বংস হয়।

ইউক্রেনীয় অর্থডক্স গির্জাটি উনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে তৈরি। এটি ১৯৩৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ধ্বংস করে দিয়েছিল তবে ২০০৩ সালে তা আবার পুনর্নির্মাণ করা হয়।

ওডেসা শহরের কেন্দ্রস্থলটিকে এ বছর ইউনেস্কো রুশ প্রতিবাদ সত্ত্বেও বিশ্বঐতিহ্যের অংশ বলে ঘোষণা করেছিল। জাতিসংঘের এই সাংস্কৃতিক সংস্থাটি একাধিকবার রাশিয়ার প্রতি ওডেসার ওপর আক্রমণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে।

লুকাশেংকো-পুতিন বৈঠক

সেন্ট পিটার্সবার্গে  লুকাশেংকো-পুতিন বৈঠক
ছবির ক্যাপশান, সেন্ট পিটার্সবার্গে লুকাশেংকো-পুতিন বৈঠক

রোববার রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন সেন্ট পিটার্সবার্গে তার ঘনিষ্ঠ মিত্র বেলারুসের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার লুকাশেংকোর সাথে বৈঠক করছেন।

মি. লুকাশেংকো রাশিয়ার ভাড়াটে বাহিনী ওয়াগনার গ্রুপের সাম্প্রতিক বিদ্রোহ অবসানে ভুমিকা রাখেন এবং এর প্রধান ইয়েভগেনি প্রিগোশিন ও তার কিছু যোদ্ধাকে সেদেশে থাকতে দিয়েছেন।

এর পর এই প্রথম মি. পুতিনের সাথে তার মুখোমুখি সাক্ষাৎ হচ্ছে। মি. পুতিন বলেন, তাদের এ আলোচনা কয়েকদিন ধরে চলতে পারে।

আলোচনা শুরুর আগে প্রেসিডেন্ট পুতিন বলেন - ইউক্রেনের পাল্টা অভিযান ব্যর্থ হয়েছে।

ক্রেমলিন বলছে, মি. লুকাশেংকোর এ সফরের সময় দুই নেতার আলোচনায় দু দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব নিয়ে কথাবার্তা হবে।

মি লুকাশেংকো আভাস দেন, তাকে ওয়াগনারের যোদ্ধাদের সংযত করতে হয়েছে কারণ তারা পোল্যান্ডে ঢুকতে আগ্রহী ছিল।