মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফল স্পষ্ট হওয়ার পর হোয়াইট হাউজের
বলরুম নির্মাণস্থলে দাঁড়িয়ে প্রথম সরাসরি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এর আগে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে নির্বাচনে রিপাবলিকানদের ব্যাপক পরাজয়ের
জন্য ইরান যুদ্ধকে দায়ী করেছেন।
ট্রাম্পকে ওই মন্তব্য সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, "বেশিরভাগই সত্য। এটি স্বল্পমেয়াদে জ্বালানির দাম
কিছুটা বাড়িয়ে দিয়েছিল।"
তবে তিনি বলেন, যুদ্ধের বিষয়ে
হলে তিনি আবারও একই সিদ্ধান্ত নিতেন। তিনি আরও যোগ করেন, ভোটারদের অসন্তোষের কারণ ছিল জ্বালানির দাম, যুদ্ধ নিজে নয়।
হোয়াইট হাউসের বলরুম থেকে দেওয়া বক্তৃতায় ট্রাম্প রাজনীতি
বা মধ্যবর্তী নির্বাচন নিয়ে খুব বেশি কথা বলেননি, তবে নিজের
প্রশাসনের সাফল্য হিসেবে যা দেখেন, তার কিছু তুলে
ধরেছেন।
প্রেসিডেন্ট বলেন, "শূন্য অবৈধ অভিবাসীকে আমাদের দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়েছে," এরপর তিনি দ্রুত আবার বলরুম প্রকল্পের প্রসঙ্গে
ফিরে যান।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, হোয়াইট হাউসের
চেয়েও বড় হওয়ার পরিকল্পনা করা এই স্থাপনাটি "ওয়াশিংটন ডিসির অন্যতম সেরা ভবন
হবে"।
তিনি নির্মাণকাজে কাজ করাকে প্রশান্তিদায়ক বলে বর্ণনা করেন।
তিনি বলেন,
"হোয়াইট হাউজ
আমেরিকার চূড়ান্ত প্রতীক। এটি নিখুঁত হতে হবে।"
"একটি বলরুম
থাকা প্রতিটি প্রেসিডেন্টেরই স্বপ্ন ছিল।"
এরপর তিনি নির্মাণকাজে ব্যবহৃত স্টিলের কাঠামোর দৃঢ়তা এবং
ব্যবহৃত মার্বেল নিয়ে বিস্তারিত বর্ণনা দেন।
দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম বছরজুড়ে ট্রাম্প বলরুম প্রকল্পের
পাশাপাশি ওয়াশিংটন ডিসির বিভিন্ন সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্পের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব
দিয়েছেন।
মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার শেষ বার্তাটি ছিল লিংকন
মেমোরিয়ালের রিফ্লেক্টিং পুলের সামনে থেকে, যেখানে তিনি
পুলটির নতুন পাইপ ও আবরণ দেখাতে একাধিক ছবি ব্যবহার করেছিলেন।
তিনি বলেন,
"আমরা ডিসিকে
সুন্দর করে তুলেছি... আর সবাই এ নিয়ে কথা বলছে।"