পত্রিকা: 'বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত'

আজকের পত্রিকার প্রধান শিরোনাম— বাংলাদেশে মালবাহী ট্রেন ঢোকাতে চায় ভারত।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রেলপথ ব্যবহার করে দেশের অভ্যন্তরে নিজেদের বেসরকারি কনটেইনার ট্রেনে পণ্য পরিবহনের সুযোগ চায় প্রতিবেশী ভারত ।
এ জন্য দেশটির বেসরকারি কনটেইনার ট্রেন অপারেটরদের বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার অনুমতি চেয়েছে দেশটি।
পাশাপাশি তিনটি আন্তসীমান্ত রুটে ২৪ ঘণ্টা মালবাহী ট্রেন চালু, ট্রেন গ্রহণের সক্ষমতা বাড়ানো এবং পণ্য পরিবহনে সরাসরি বুকিং চালুর প্রস্তাব দিয়েছে ভারত।
অন্যদিকে বাংলাদেশ জানিয়েছে , ভারতের কোনো বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এ দেশের লাইন দিয়ে ট্রেন পরিচালনা করলে তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ও দায়ভার ভারতীয় রেলওয়েকে নিতে হবে।
গত ৮ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ভারতের ৩৮ তম আন্তঃসরকারি রেল বৈঠকের (আইজিআরএম) কার্যবিবরণীতে দুই পক্ষের এই অবস্থান উঠে এসেছে।

সন্দেহের ছায়া পুলিশে— দেশ রূপান্তরের প্রধান সংবাদ এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, অভ্যন্তরীণ তথ্যপাচারের অভিযোগে পুলিশের সুবিধাভোগীদের বিষয়ে আবার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কনস্টেবল পর্যন্ত যারা ভালো ইউনিটে কর্মরত ছিলেন, তাদের তালিকা তৈরি হচ্ছে নতুনভাবে।
রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সে রকম একাধিক কর্মকর্তা আগের মতো ভালো অবস্থানেই বহাল আছেন। তারাই তথ্য পাচার করছেন বলে পুলিশের গোয়েন্দারা তথ্য পেয়েছেন।
এ কারণে অতিরিক্ত আইজিপি থেকে এসআই পর্যন্ত অন্তত দুই হাজার কর্মকর্তার বিষয়ে বিশদ তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এদিকে, সরকারবিরোধী লোকজনের কাছে পুলিশের গোপন তথ্যপাচারের খবর পাওয়ায় উদ্বিগ্ন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বিবিসি বাংলার সর্বশেষ খবর ও বিশ্লেষণ এখন সরাসরি আপনার ফোনে।
ফলো করুন, নোটিফিকেশন অন রাখুন
বিবিসি বাংলার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ বিবিসি বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেল
টাইমস অব বাংলাদেশের প্রধান খবর— Post-election disillusionment: Investment gloom deepens; অর্থাৎ নির্বাচন-পরবর্তী বিনিয়োগের আশায় ভাটা।
এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের পর আশা করা হয়েছিল, মাসের পর মাস চলা রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা কাটিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন বিনিয়োগ শুরু হবে। কিন্তু সেই আশা ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে আসছে।
বেসরকারি খাতে ব্যাংক ঋণের প্রবৃদ্ধি টানা কয়েক মাস ধরে রেকর্ড পরিমাণ কমছে। গত সেপ্টেম্বরে এই প্রবৃদ্ধির হার নেমে এসেছে মাত্র ৪ দশমিক ১৭ শতাংশে। অথচ চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসের জন্য বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৬ দশমিক ৮ শতাংশ ধরেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক।
এই চিত্র থেকে পরিষ্কার বোঝা যায়, ব্যবসায়ীরা এখন নতুন করে ঋণ নিতে বা ব্যবসা বাড়াতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না।
এর পেছনে রয়েছে চড়া সুদের হার, বাজারে পণ্যের কম চাহিদা, ব্যাংক খাতের নানা সমস্যা, গ্যাস-বিদ্যুতের সংকট এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ভয়।
দেশের ব্যবসায়ীরা যেমন খুব দেখে-শুনে পা ফেলছেন, তেমনি বিদেশি বিনিয়োগও কমে গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে দেশে নিট বিদেশি বিনিয়োগ আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৮ শতাংশ কমেছে।
গত বছরের এই সময়ে যেখানে ১১০ কোটি ডলারের বেশি বিদেশি বিনিয়োগ এসেছিল, এবার তা নেমে এসেছে প্রায় ৭৯ কোটি ৫০ লাখ ডলারে। অথচ ২০২৫ সাল জুড়ে বিনিয়োগের অবস্থা বেশ ভালো ছিল।
End of বিবিসি বাংলায় আরও পড়ুন:

দুই শতাধিক ব্যক্তি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দ— মানবজমিনের প্রধান শিরোনাম এটি।
খবরটিতে বলা হয়েছে, পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনে অর্থায়ন ও জনবল দিয়ে সহায়তার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী, সংসদ সদস্য, রাজনৈতিক নেতা ও শীর্ষ ব্যবসায়ীদের ২০৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব জব্দের নির্দেশ দিয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।
গতকাল বৃহস্পতিবার এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) দেশের সব ব্যাংকে ই-মেইলে এ-সংক্রান্ত জরুরি নির্দেশনা পাঠিয়েছে।
এনবিআরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পোশাক খাতে অস্থিরতা তৈরির উদ্দেশ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ৪০ থেকে ৫০টি গ্রুপ খোলা হয়েছিল। এসব গ্রুপের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ২০০ থেকে ২৫০ জনের নামের তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। তাদের মধ্যে কয়েকজনকে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে এবং কাউকে নগদ অর্থ দিয়ে সহায়তা করার তথ্য পাওয়া গেছে।
এসব অর্থের উৎস ও লেনদেনের ধরন জানতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যাংক হিসাবের বিস্তারিত বিবরণ চেয়েছে এনবিআর। তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যের নামও গোয়েন্দা সংস্থার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
হিসাব জব্দের নির্দেশ পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন- সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, সাবেক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, সাবেক এমপি সালাম মুর্শেদী।
তালিকায় আরও রয়েছেন- সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, তুসুকা গ্রুপের ফয়জুর রহমান বাদল, ওয়েল গ্রুপের আবদুস ছালাম, নিপা গ্রুপের খসরু চৌধুরী, অ্যাক্সিস নিটওয়্যারসের জাহিদ আহমেদ টুলু, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ব্যবস্থাপনা এ কে এম মোশাররফ হোসেন এবং গিভেন্সি গ্রুপের মাসুমা খাতুন লিপা।

বণিক বার্তার প্রধান শিরোনাম— আমদানিনির্ভরতা কাটিয়ে পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে দেশ।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে পেঁয়াজের উৎপাদন ছিল প্রায় ২৫ লাখ ১৭ হাজার টন।
সবশেষ ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উৎপাদন হয়েছে রেকর্ড ৩৮ লাখ ১৯ হাজার ৫৩০ টন।
অর্থাৎ পাঁচ বছরের ব্যবধানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যটির উৎপাদন বেড়েছে ১৩ লাখ ২ হাজার ৫৩৩ টন, যা শতাংশের হিসাবে ৫১ দশমিক ৩১।
বিপরীতে উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে আমদানি। উৎপাদন ও সরবরাহ বাড়ায় পেঁয়াজের খুচরা মূল্যও কমে এসেছে।
খাতসংশ্লিষ্টরা বলছেন, উন্নত জাতের বীজ, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের আবাদ সম্প্রসারণ, অনুকূল আবহাওয়া ও কৃষকদের আগ্রহ উৎপাদন বাড়াতে বড় ভূমিকা রেখেছে।
পাশাপাশি সংরক্ষণ সক্ষমতা বাড়ায় মৌসুমের বাইরে বাজারে সরবরাহ ধরে রাখাও সম্ভব হচ্ছে।
তবে উৎপাদন বাড়লেও ন্যায্যমূল্য না পেয়ে লোকসানে পড়েছেন বলে কৃষকের অভিযোগ। এ পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে পেঁয়াজ চাষে তাদের আগ্রহ কমে যেতে পারে। তাতে আবারো তৈরি হবে আমদানিনির্ভরতা বাড়ার ঝুঁকি।
তাই উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে কৃষককে প্রণোদনা ও ভর্তুকি দেয়ার পাশাপাশি বাজার ব্যবস্থাপনায় মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

কালের কণ্ঠের প্রধান শিরোনাম— শর্তের জালে পুনরর্থায়ন স্কিম।
এই খবরে বলা হয়েছে, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা চালু করতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুনরর্থায়ন তহবিল থেকে ঋণ পেতে অপেক্ষা বাড়ছে উদ্যোক্তাদের।
কঠিন শর্ত, ঋণগ্রহীতার সক্ষমতা যাচাই এবং ঋণ ফেরত পাওয়ার ঝুঁকি থাকায় ব্যাংকগুলো সতর্কভাবে আবেদন যাচাই করছে। ফলে ২০ হাজার কোটি টাকার তহবিল থাকলেও কাঙ্ক্ষিত গতিতে ঋণ বিতরণ করা হচ্ছে না।
গত ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত এই কর্মসূচিতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে মাত্র ৫৬০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, প্রায় ২০০টি পোশাক কারখানা ঋণ পাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বলে জানিয়েছে তৈরি পোশাক শিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
যদিও গতকাল বৃহস্পতিবার এই ঋণের গতি ফেরাতে প্রজ্ঞাপনে কিছু পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বন্ধ কারখানা চালুর এই কর্মসূচিতে ব্যাংকগুলো মোট এক হাজার ৪৯০ কোটি টাকার ঋণ আবেদন জমা দিয়েছে।

বড় ঝুঁকিতে জ্বালানি নিরাপত্তা— নয়া দিগন্তের প্রধান খবর এটি।
এই খবরে বলা হয়েছে, দেশীয় গ্যাস উৎপাদন ধারাবাহিকভাবে কমছে। আর আমদানিনির্ভর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর ক্রমবর্ধমান নির্ভরতা বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তাকে নতুন করে ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে।
আমদানি বাড়লেও প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, বৈদেশিক মুদ্রার সংস্থান এবং সরবরাহব্যবস্থার দুর্বলতা কাটছে না।
ফলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়লেও জ্বালানির অভাবে সেগুলোর পূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
গত পাঁচ বছরে তিনটি এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু হয়েছে। কিন্তু একই সময়ে ১০টি প্রকল্প বাতিল, প্রত্যাহার কিংবা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি ছাড়াই আটকে রয়েছে।
এসব স্থগিত প্রকল্পের সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় আট হাজার মেগাওয়াট।
অন্যদিকে, ২০১৮-১৯ সালে দু'টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল চালুর পর তৃতীয় টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগও দীর্ঘসূত্রতায় পড়েছে। টার্মিনালগুলোর সক্ষমতা থাকলেও গ্যাস সরবরাহের বাস্তবতা ভিন্ন।
২০২৬ সালের জুনের শেষ দিকে দু'টি টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চালানোর সুযোগ থাকলেও পেট্রোবাংলা গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের চাহিদার মাত্র ৩৯ শতাংশ পূরণ করতে পেরেছে।
জ্বালানি অবকাঠামোয় বিনিয়োগের এই সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি বাড়ছে আর্থিক চাপ। ২০১৯ সালে বিদ্যুৎ খাতে সরকারের ভর্তুকি ছিল আট হাজার কোটি টাকা। ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৭ হাজার কোটি টাকায়।
End of বিবিসি বাংলার আরও সংবাদ:

প্রথম আলোর প্রধান শিরোনাম— শিক্ষিত বেকার বাড়ছে, দক্ষ কর্মীর অভাব শিল্পে।
খবরটিতে বলা হয়েছে, দেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়লেও সেই অনুপাতে কর্মসংস্থান বাড়ছে না। আবার দেশের কর্মবাজারও প্রয়োজনীয় দক্ষ কর্মী পাচ্ছে না।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) গত বছরের বার্ষিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের মোট গ্র্যাজুয়েটের ৬০-৭০ শতাংশ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হন। তাদের বড় অংশ সমাজবিজ্ঞান, মানবিক, ব্যবসায় শিক্ষা এবং কিছু বিজ্ঞানভিত্তিক বিষয়ে পড়াশোনা করেন।
কিন্তু তাদের একটি বড় অংশ কর্মবাজারে প্রবেশের সময় প্রয়োজনীয় দক্ষতার ঘাটতিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ শিল্পমালিকদের।
বিশেষায়িত খাতগুলোতে এই সংকট আরও স্পষ্ট। অনেক প্রার্থীর প্রযুক্তি সম্পর্কে সাধারণ ধারণা আছে। কিন্তু ব্যবসায়িক সমস্যা বোঝা, পণ্য তৈরি করা কিংবা বাস্তব কাজে প্রযুক্তি প্রয়োগের সক্ষমতায় ঘাটতি রয়েছে।

মোংলা থেকে উত্তরবঙ্গ পর্যন্ত গড়ে তোলা হবে জ্বালানি অবকাঠামো— সমকালের প্রধান শিরোনাম এটি।
প্রতিবেদনটিতে বলা হয়েছে, মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন, এ কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বাংলাদেশ ও চীন একসঙ্গে কাজ করতে চায় উল্লেখ করে মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে চীনের বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
গতকাল বৃহস্পতিবার বাগেরহাটের মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
এ উপলক্ষ্যে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চ পর্যায়ের চীনা প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী বিনিয়োগের আহ্বান জানান।

নিউ এইজের প্রধান খবর— BNP struggles to select single candidates amid rivalries; অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী বাছাইয়ে বিএনপির হিমশিম খাওয়ার কথা ওঠে এসেছে এই খবরে।
ক্ষমতাসীন দল বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ে দলীয় কোন্দল এবং আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে মনোনয়ন পাওয়ার তীব্র প্রতিযোগিতা অনেক ক্ষেত্রে প্রাণঘাতী সংঘাতে রূপ নিয়েছে। যার ফলে একক প্রার্থী বাছাইয়ে হিমশিম খাচ্ছে বিএনপি।
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান প্রতিটি এলাকায় যেকোনো মূল্যে একক প্রার্থী নিশ্চিত করার নির্দেশ দিলেও অনেক জায়গায় এখনো প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি।
তারেক রহমানের নির্দেশে ইতোমধ্যে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে, যাদের কাজ হলো— চার হাজার ৫৮১টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৪৯৫টি উপজেলা পরিষদ, ৩৩০টি পৌরসভা, ১৩টি সিটি কর্পোরেশন এবং ৬১টি জেলা পরিষদে পর্যায়ক্রমে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনের আগে স্থানীয় বিরোধগুলো নিষ্পত্তি করা। পাশাপাশি এসব নির্বাচনে চেয়ারম্যান, সদস্য, মেয়র ও কাউন্সিলর পদে প্রার্থী নির্বাচন করতে হবে।
যদিও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর শীর্ষ পদের জন্য একক প্রার্থী নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়ে স্থানীয় নেতাদের মধ্যে এখনো ঐকমত্য গড়ে ওঠেনি।
গত জুলাই থেকে অক্টোবর মাসের মধ্যে ছয়টি জেলায় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়াকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় অন্তত ৬১ জন আহত হয়েছেন। এসব সংঘর্ষে অনেক ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের ঘটনাও ঘটেছে।

দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রধান শিরোনাম— Govt plans to cut business approval time to 18 days; অর্থাৎ ব্যবসায়িক অনুমোদন পাওয়ার সময়সীমা ১৮ দিনে নামিয়ে আনতে চায় সরকার।
এই খবরে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে বিনিয়োগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কারের পরিকল্পনা করছে সরকার। আর এই সংস্কারের মাধ্যমে ব্যবসা শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় সব লাইসেন্স, ছাড়পত্র ও অনুমোদন পাওয়ার সময়সীমা ৩৫৫ দিন থেকে কমিয়ে মাত্র ১৮ দিনে নিয়ে আসা।
আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে দেশি ও সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) বাড়ানোর উদ্দেশ্যে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় বিনিয়োগকারীরা প্রয়োজনীয় ১২টি বিধিবদ্ধ নথির প্রতিটিই একদিনের মধ্যে সংগ্রহ করতে পারবেন।
এছাড়া, পূর্বশর্তের সংখ্যা কমানো, আবেদন প্রক্রিয়া এবং কার্যক্রম সহজ করার লক্ষ্যে একক ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালুর পরিকল্পনা করেছে সরকার।
শিল্প স্থাপনের প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য গঠিত কমিটির দ্বিতীয় সভায় এই সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়। গত ১৮ অক্টোবর এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যদিও সরকারের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে ১৪ কার্যদিবসের মধ্যে সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা। তবে 'ইনভেস্ট বাংলাদেশ' (আইবি) এর উপস্থাপিত রোডম্যাপে অন্তর্বর্তীকালীন সময়সীমা হিসেবে ১৮ দিনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।










