পত্রিকা: 'শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রশ্নে ব্রিটিশ রাজনীতিকদের দ্বারস্থ আওয়ামী লীগ'

Published
পড়ার সময়: ৭ মিনিট

টাইমস অফ বাংলাদেশের খবর - AL turns to UK politicians over Hasina's return

অর্থাৎ শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রশ্নে ব্রিটিশ রাজনীতিকদের দ্বারস্থ আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশে স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও রাজনৈতিক সমঝোতার দাবিতে ব্রিটিশ রাজনীতিকদের কাছে কূটনৈতিক সমর্থন চাইছে আওয়ামী লীগ।

দলটির লক্ষ্য, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দেওয়া দণ্ড ও মৃত্যুদণ্ডের বিষয়ে আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ নিশ্চিত করা এবং তাঁর দেশে ফেরার পথ তৈরি করা।

আওয়ামী লীগ নেতা হাবিব মিল্লাতের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ছয়জন ব্রিটিশ রাজনীতিক একটি আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন। আবেদনে বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থার রাজনৈতিকীকরণ বন্ধ, শেখ হাসিনার নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং রাজনৈতিক সংলাপ ও সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) কাছে ৪৫০ থেকে ৫০০ কোটি ডলার ঋণ চেয়েছে সরকার। এর শর্ত হিসাবে ভর্তুকি কমানোর চাপ দিচ্ছে সংস্থাটি। পর্যায়ক্রমে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ ও সারের দাম বাড়াতে বলছে তারা। বিশ্ববাজারে এখন ফার্নেস অয়েল, কয়লা ও এলএনজির দাম অনেক বেশি। ফলে চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতেই সরকারের বিপুল লোকসান হতে পারে। এর পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা। এই ঘাটতি সামাল দিতে কড়া শর্ত দিয়েছে আইএমএফ।

২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের জন্য একটি 'মধ্যবর্তী সংস্কার রোডম্যাপ' নিতে অর্থ বিভাগকে তাগাদা দিয়েছে তারা। সেই সংস্কারের একটি প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও দপ্তরে। এছাড়া পিডিবির ক্যাপাসিটি চার্জ ও বিপিসির লোকসান কমানোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রাও জানতে চেয়েছে সংস্থাটি।

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে গুগল প্লে থেকে বিবিসি ওয়ার্ল্ড সার্ভিস অ্যাপ ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ফ্রান্স ও ইতালিতেই জমা পড়েছে ৩ লাখ ৯ হাজারের বেশি আবেদন, যা এ ১০ দেশে মোট আবেদনের প্রায় ৫৩ শতাংশ। এককভাবে ফ্রান্সের অংশ প্রায় ২৭ শতাংশ। কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র মিলিয়ে আবেদন পড়েছে প্রায় ৬৪ হাজার বা ১১ শতাংশ।

বিগত ২৬ বছরে (২০০০-২০২৫) কানাডা-যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রধান ১০টি গন্তব্য দেশে বাংলাদেশীদের মোট ৫ লাখ ৮৭ হাজার ৯৯২টি আশ্রয় আবেদন জমা পড়েছে। জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থার (ইউএনএইচসিআর) তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি আবেদন পড়েছে ফ্রান্সে, ১ লাখ ৫৭ হাজার ২৪৫টি। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা ইতালিতে জমা পড়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৪১৫টি। এ দুই দেশেই পড়েছে শীর্ষ ১০ দেশের মোট আবেদনের প্রায় ৫৩ শতাংশ। সামগ্রিক হিসাবে ফ্রান্স শীর্ষে থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোয় সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়ছে ইতালিতে। তালিকায় রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাজ্য, গ্রিস, কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্রও। রাজনৈতিক নিপীড়ন, মামলা ও নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে এসব আবেদন করা হয়েছে। তবে আশ্রয় চাওয়ার বিপরীতে অনুমোদনের হার কম।

এলপিজির দাম নির্ধারণের সময় আমদানিকারক, পরিবেশক ও খুচরা বিক্রেতা- সবার কমিশন বাড়ানো হয়েছে। এরপরও নির্ধারিত দামে রান্নার গ্যাস পাচ্ছেন না ভোক্তারা। ঢাকার বাজারে কোথাও ১২ কেজির সিলিন্ডার কিনতে অন্তত ৩০০ টাকা বাড়তি দামে। কোথাও বাড়তি দিতে হচ্ছে ৪৪০ টাকা। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন বাজারেও নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি নেওয়া হচ্ছে।

বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) ২ নভেম্বর ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করেছে ২ হাজার ৬০ টাকা। রান্নার কাজে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ১২ কেজির সিলিন্ডার। গতকাল শনিবার ঢাকার বিভিন্ন এলাকার ১৫টি এলপিজি দোকান ঘুরে দেখা গেছে, ১২ কেজি সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৩৫০ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত। ৪৫ কেজির সিলিন্ডারেও বাড়তি নেওয়া হচ্ছে ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকা।

দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকার খবর- US Firms Supply 85% of Bangladesh's LPG অর্থাৎ বাংলাদেশের এলপিজি আমদানির ৮৫ শতাংশই আসছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের প্রভাবে বাংলাদেশের এলপিজি আমদানিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে দেশের মোট এলপিজি আমদানির ৮৫ শতাংশ এসেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে। এক বছর আগে এই হার ছিল মাত্র ২৭ দশমিক ৪ শতাংশ।

অন্যদিকে, ওমান, ইরাক, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আমদানি সেপ্টেম্বরে শূন্যে নেমে এসেছে। ফলে দূরবর্তী দেশ থেকে এলপিজি আনতে বেশি পরিবহন, বিমা ও আমদানি খরচ গুনতে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

এলপিজি পরিবহনের জাহাজভাড়া প্রতি টনে ৮২ ডলার থেকে বেড়ে ২৫০ ডলার পর্যন্ত হয়েছে। সরবরাহ নিশ্চিত করতে প্রতি টনে ৩০০ থেকে ৩৫০ ডলার পর্যন্ত বাড়তি দামও দিতে হচ্ছে আমদানিকারকদের।

দেশে প্রায় এক কোটি মানুষ রান্নার কাজে এলপিজির ওপর নির্ভরশীল। তাই আমদানি ব্যয় ও পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশের বাজারে এলপিজির দাম বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

মানবজমিন পত্রিকার খবর - কাঁদছে চকরিয়া

সৌদি আরবে মর্মান্তিক এক সড়ক দুর্ঘটনায় সাত বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে নারী এবং শিশুও রয়েছে। তাদের সবার বাড়ি কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলায়। গত শুক্রবার দিবাগত রাত দুইটার দিকে পবিত্র নগরী মদিনা থেকে জেদ্দা যাওয়ার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মিশনের তথ্য অনুযায়ী, নিহতদের কয়েকজন সৌদি আরবের 'আল আবীর কোল্ড স্টোর ট্রেডিং কোম্পানিতে কাজ করতেন। এই মৃত্যু সংবাদে কাঁদছে গোটা চকরিয়া।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন ওই কোম্পানির স্টোরকিপার জিয়াউর রহমান, তার দুই ছেলে ও এক মেয়ে। একই কোম্পানির ফর্কলিফট চালক ইলিয়াসের স্ত্রীও দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া মক্কায় কর্মরত কোম্পানিটির স্টোরকিপার শাহ আলম ও তার এক মাস বয়সী কন্যাশিশু প্রাণ হারিয়েছেন। তাৎক্ষণিকভাবে শিশু এবং ইলিয়াসের স্ত্রীর নাম জানা যায়নি।

কোম্পানির মার্কেটিং ম্যানেজার নুরুজ্জামান জানান, একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে তারা মদিনা থেকে জেদ্দার উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন। পথে দীর্ঘ মহাসড়কে গাড়িটি হঠাৎ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই সাতজনের মৃত্যু হয়।

দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে আবারো ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, অতীতে দেশের মানুষ যেভাবে ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছে, এবারো সেভাবেই এর উপযুক্ত জবাব দেবে। দেশের ভেতর কিংবা বাইরে-যেখান থেকেই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, গণতন্ত্রকামী জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে তা প্রতিহত করতে হবে।

গতকাল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত শোভাযাত্রা উদ্বোধনের আগে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, 'অতীতেও তারা ষড়যন্ত্র করেছে, এখনো করছে। আবারো তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে দুর্বল করতে চায়। দেশে তথাকথিত ডামি নির্বাচনের ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে চায়।'

নিউ এইজ পত্রিকার খবর - 55pc of 203 Murder Cases End in No Punishment অর্থাৎ ২০৩টি হত্যা মামলার ৫৫ শতাংশেই হয়নি কারও সাজা

গত প্রায় সাত বছরে দেশের বিভিন্ন আদালতে নিষ্পত্তি হওয়া ২০৩টি হত্যা মামলার মধ্যে ১১২টিতেই সব আসামি খালাস পেয়েছেন। অর্থাৎ, ৫৫ শতাংশের বেশি মামলায় কাউকেই দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। বাকি ৯১টি মামলায় অন্তত একজনের সাজা হয়েছে।

২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত ঢাকা ও দেশের ৩২ জেলার আদালতের রায়ের বিশ্লেষণে এসব তথ্য উঠে এসেছে। মামলাগুলো দায়ের হয়েছিল ১৯৮৭ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে। হত্যার কারণগুলোর মধ্যে ছিল জমি ও পারিবারিক বিরোধ, মাদক ব্যবসা, আর্থিক লেনদেন, ডাকাতি, রাজনৈতিক বিরোধ ও দলীয় কোন্দল।

সাবেক জেলা ও দায়রা জজ এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. শাহজাহান সাজু বলেছেন, তদন্তে গাফিলতি, সাক্ষীদের সাক্ষ্য না দেওয়া এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার জন্য সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। পাশাপাশি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে বিচারকের সংখ্যা ও আদালতের সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি।

প্রাক্‌-প্রাথমিক থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত ২ কোটি ৬০ লাখ শিশুর শিক্ষার মান উন্নয়নে বাংলাদেশকে ৩০ কোটি ডলার বা প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ কোটি টাকা ঋণ অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা তহবিল (আইডিএ) থেকে দেওয়া এ ঋণের মেয়াদ ২৫ বছর, যার মধ্যে প্রথম পাঁচ বছর ঋণ পরিশোধে ছাড় থাকবে।

'প্রাথমিক শিক্ষার শিখন মানোন্নয়ন ও ধারাবাহিকতাকরণ কর্মসূচি' বাস্তবায়নে এ অর্থ ব্যয় করা হবে। এর আওতায় শিক্ষার্থীদের পড়া, লেখা ও গণিতের মৌলিক দক্ষতা বাড়ানো, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ, মানসম্মত পাঠ পরিকল্পনা এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ সরবরাহ করা হবে। পাশাপাশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ প্রধান শিক্ষককে নেতৃত্ব ও বিদ্যালয় পরিচালনাবিষয়ক প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রায় ৫০ শতাংশ বয়স উপযোগী সহজ পাঠ বুঝতে পারে না। শিক্ষার এই ঘাটতি কমিয়ে শিশুদের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের উপযোগী দক্ষতা তৈরিতে কর্মসূচিটি সহায়তা করবে বলে আশা করছে সংস্থাটি। এ ছাড়া পিছিয়ে থাকা জেলাগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়তা এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনাও রয়েছে।

দেশ রূপান্তর পত্রিকার খবর - দেশ ছাড়তে তৎপর আ.লীগের একাংশ

দেশে থাকা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী-সমর্থকদের একটি অংশের মধ্যে ডিসেম্বর ঘিরে নতুন করে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। তাদের অনেকেই এখন দেশ ছাড়ার চেষ্টা করছেন। দিল্লিতে আশ্রয়ে থাকা আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার পরই শুরু হয়েছে এই অস্থিরতা। আরেক দফা অত্যাচার-নির্যাতনের মুখে পড়তে পারেন এ আশঙ্কা এখন পেয়ে বসেছে আওয়ামী লীগের একাংশকে।

২০২৪-এর ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার পর দলীয় অনেকে এখনো দেশে আছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং সরকারি দলের নানা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখে। তারা মনে করছেন দলীয় নেত্রীর দেশে ফেরার ঘোষণার পর এই সম্পর্কের অবনতি হবে।

সারা দেশে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী-সমর্থক ও অনুসারীদের অনেকের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে থাকা অংশটি ঝামেলামুক্ত থাকতে চায়। হামলা-মামলা, জেলজুলুম-হুলিয়া মাথায় নিয়ে বেঁচে থাকতে অনীহা তাদের। দলীয় সভাপতির দেশে ফেরার ঘোষণাকে স্বাগত জানালেও নতুন করে কোনো ঝুঁকির মুখে পড়তে চান না তারা। এই অবস্থায় দেশ ছেড়ে চলে যাওয়াকে আপাতত নিরাপদ মনে করছে তারা।